ঢাকারবিবার , ২২ জানুয়ারি ২০২৩
  1. beerexpert.co.uk
  2. Best new non Gamstop casinos
  3. best-online-casinos-ie.rogueaba.com
  4. caffepasta.co.uk
  5. casino-exoterikou.gr.com
  6. daltonism
  7. danesfortgaa.ie
  8. diffdrum.co.uk
  9. drusillasinn.co.uk
  10. edinburghjesuitcentre
  11. gayhussar.co.uk
  12. goifetch
  13. kitkash
  14. no-kyc-casinos.eu.com
  15. Our partners curacaocasino.eu.com

ভরা মৌসুমে পেঁয়াজ আমদানি, লোকসানে চাষীরা

নাজমুল
জানুয়ারি ২২, ২০২৩ ১:০৫ অপরাহ্ণ
Link Copied!

সরকারি উৎসাহে পেঁয়াজের আবাদ বেড়েছে। মাঠ থেকে উঠতে শুরু করেছে নতুন পেঁয়াজ। তবে আমদানিও হচ্ছে বিপুল পরিমাণে। এতে উৎপাদিত পেঁয়াজের প্রত্যাশিত মূল্য পাচ্ছেন না দেশের চাষীরা। ভরা মৌসুমে আমদানি বন্ধের দাবি তাদের।

দেশে বছরে পেঁয়াজের চাহিদা কমপক্ষে ২৫ লাখ মেট্রিক টন। উৎপাদন হয় প্রায় সাড়ে ৩৬ লাখ টন। এর অন্তত ২৫ ভাগ নষ্ট হয়। তাই ভারত, মিয়ানমারসহ কয়েক দেশ থেকে আমদানি করা হয় পেঁয়াজ। সাধারণত দেশের বাজারে পেঁয়াজের দাম যখন অস্বাভাবিক বাড়ে, তখন ভোক্তাদের স্বস্তি দিতে আমদানির অনুমতি দেয় সরকার। গত কয়েক বছর এমন নীতিই ছিল সরকারের। কিন্তু এবার ভরা মৌসুমেও আমদানি হচ্ছে পেঁয়াজ। এতে বাজার পড়ে যাওয়ায় প্রত্যাশিত মূল্য পাচ্ছেন না দেশের চাষীরা। এমন পরিস্থিতিতে লোকসান এড়াতে ভরা মৌসুমে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ রাখার দাবি কৃষকদের। কৃষকরা জানান, ফলন পেয়ে কি হবে?এলসি পেঁয়াজে মোকাম ভর্তি, ফলন ভালো হলেও দাম পাচ্ছি না। তাতে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি আমরা। ব্যবসায়ীরা জানান, এবার ফলন ভালো হয়েছে কিন্তু দাম পাচ্ছে না। এজন্য গৃহস্থরা জানান আরেকটু দাম বেশি হলে খরচনা উঠবে। স্থলবন্দর দিয়ে প্রতিদিনই দেশে ঢুকছে আমদানি-পেঁয়াজের চালান। বন্দরে ইন্দোর ও নাসিক জাতের নতুন পেঁয়াজ ৩৩ থেকে ৩৫ টাকা, আর পুরানো পেঁয়াজ ২১ থেকে ২২ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। মোকাম ব্যবসায়ীরা বলেন, “আমাদের কৃষকরা লাভবান হতে পাবেন তার জন্য আমদানি সীমিত করা উচিত। ভারত থেকে এলসি পেঁয়াজ আমদানি হওয়ার কারণে দেশি নতুন পেঁয়াজের দাম চাষীরা তুলনামূলক কম পাচ্ছেন।” হিলি স্থলবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা সোহরাব হোসেন বলেন, “ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি অব্যাহত আছে হিলি স্থলবন্দরে। তবে আমদানি পূর্বের থেকে অনেক কম। সর্বনিম্ন পর্যায়ে কমে গেছে।” অর্থনীতিবিদরা বলছেন, কৃষকরা উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য না পেলে উৎপাদনে নিরুৎসাহিত হতে পারেন। তাই ভরা মৌসুমে পেঁয়াজ আমদানি না করার পরামর্শ তাদের। কৃষি অর্থনীতিবিদ ড. জাহাঙ্গীর আলম খান বলেন, “বিশেষ করে জানুয়ারি থেকে মার্চ-এপ্রিল এই কয়টা মাস আমদানি বন্ধ রাখা উচিত। যাতে করে কৃষকরা পেঁয়াজের ন্যায্য দাম পায়।” দেশে বিঘাপ্রতি পেঁয়াজ চাষে ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকা খরচ হয়। পচনশীল হওয়ায় সব পেঁয়াজ সংরক্ষণ করা সম্ভব হয় না।

আমাদের সাইটে আমরা নিজস্ব সংবাদ তৈরির পাশাপাশি দেশের এবং বিশ্বের বিভিন্ন স্বনামধন্য সংবাদমাধ্যম থেকে গুরুত্বপূর্ণ খবর সংগ্রহ করে নির্ভুল সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। আমরা সবসময় তথ্যের নির্ভরযোগ্যতা এবং সঠিকতা নিশ্চিত করার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করি। তবে, যদি কোনো সংবাদ নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকে, তাহলে আমরা আপনাকে বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি সংশ্লিষ্ট সংবাদ মাধ্যম বা নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করার জন্য। এই সাইটের সব ধরণের সংবাদ, আলোকচিত্র, অডিও এবং ভিডিও কন্টেন্ট কপিরাইট আইন দ্বারা সুরক্ষিত। বিনা অনুমতিতে এই কন্টেন্ট ব্যবহারের প্রচেষ্টা সম্পূর্ণ বেআইনি এবং আইনত শাস্তিযোগ্য। আমরা আমাদের ব্যবহারকারীদের একটি সুরক্ষিত ও তথ্যবহুল অভিজ্ঞতা প্রদানের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমাদের নিউজ সাইটের মাধ্যমে পাওয়া যেকোনো তথ্য ব্যবহারের আগে দয়া করে সেই তথ্যের উৎস যাচাই করতে ভুলবেন না। আপনাদের সমর্থন এবং সহযোগিতা আমাদের এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা। আমাদের সাথেই থাকুন, সর্বশেষ খবর এবং নির্ভরযোগ্য তথ্য পেতে।